
সারা বিশ্বের মতো খাগড়াছড়ি মহালছড়িতে মিলনপুর বনবিহারে যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমা।
১লা মে শুক্রবার ২০২৬ খ্রিঃ শুভ বৈশাখী পূর্ণিমা উপলক্ষে দিনব্যাপি মিলনপুর বনবিহারে অধ্যক্ষ শ্রদ্ধাতিষ্য মহাথের নেতৃত্বে উপস্হিত স্বশিষ্য ভিক্ষুসংঘ অনুষ্ঠানে আসন গ্রহণ,এতে ত্রিশরন প্রার্থনাসহ পঞ্চশীল ও অষ্টশীল গ্রহণ , বুদ্ধপুজা, পিন্ডদান, হাজার প্রদীপ দান, আকাশপ্রদীপ দান, অষ্টপরিষ্কার দান,সংঘদানসহ নানাবিধ দান করা হয়।
স্বধর্ম দেশনা শ্রদ্ধাতিষ্য মহাথের বলেন মহামানব গৌতম বুদ্ধের জন্ম,বোধিজ্ঞান লাভ ও মহাপরি নির্বাণ,, এই ত্রি-স্মৃতি বিজড়িত বৈশাখী পূর্ণিমা বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের কাছে সবচেয়ে পবিত্র দিন। এইদিনে সূত্রপাঠ ও উপাসক-উপাসিকারা পঞ্চশীল ও অষ্টশীল পালন করা। বুদ্ধপূজা ও পিণ্ডদান, বুদ্ধমূর্তি স্নান করে ফুল ও প্রদীপ দিয়ে পূজা করা। ধর্মসভায় বুদ্ধের অহিংসা, মৈত্রী ও জীবপ্রেমের বাণী তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “জগতের সকল প্রাণী সুখী হোক” — এই মৈত্রীভাবই বুদ্ধ পূর্ণিমার মূল শিক্ষা।
বিহার পরিচালনা কমিটি অপু চাকমা বলেন, বুদ্ধপূর্ণিমা উপলক্ষে অত্র এলাকাবাসি উদ্যোগে দিনব্যাপী বিহারে কর্মসূচী গ্রহন করা হয়েছে। বুদ্ধের জন্ম, বোধিজ্ঞান লাভ ও মহাপরি নির্বাণ,, এই ত্রি-স্মৃতি বিজড়িত বৈশাখী পূর্ণিমা বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা
ভোরবেলা থেকেই বন বিহারে পূণ্যার্থী ও দায়ক-দায়িকা শত-শত, নারী-পুরুষ সমবেত হয়ে মোমবাতি ও ধূপবাতি নিয়ে বুদ্ধ পূজায় অংশ নেন।
বুদ্ধের দেখানো সাম্য, করুণা ও চলার শপথ নিয়ে শেষ হয় এবারের বুদ্ধ পূর্ণিমার আনুষ্ঠানিকতা। এই তথাগত বুদ্ধের ক্ষমা ও মৈত্রীর গুণ চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ুক, অশান্ত বিশ্ব শান্ত হোক সেই প্রার্থনায়।
মন্তব্য করুন