
শুক্রবার (২ এপ্রিল) নীলফামারী জেলা সদরের টুপামারী ইউনিয়নের কিসামত গ্রামে পরকীয়া সংক্রান্ত বিরোধের জেরে মতিউল ইসলাম (৪৫) নামে এক ব্যক্তিকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত যুবক পলাতক থাকলেও বাবা-মা ও ছোট ভাইকে আটক করেছে পুলিশ। নিহত মতিউল ইসলাম একই গ্রামের হামিদ হোসেন (৬০) এর ছেলে। তার এক ছেলে তিন মেয়ে রয়েছে।
স্থানীয়রা জানায়, কিছুদিন আগে মতিউল ইসলাম একেই গ্রামের একরামুল হকের স্ত্রী সাহের বানুকে নিয়ে পালিয়ে যান। পরে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসা হলে সাহের বানু পুনরায় সংসারে ফিরে আসেন। তবে ওই ঘটনার জের ধরে দীর্ঘদিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। এরেই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার রাতে সাহের বানুর ছেলে আল-আমিন ইসলাম (২৩) এর সঙ্গে মতিউল ইসলামের কথা কাটাকাটি হয়।
একপর্যায়ে ক্ষুদ্ধ হয়ে আল-আমিন ধারালো অস্ত্র দিয়ে মতিউল ইসলামের গলায় আঘাত করলে ঘটনাস্থলে প্রাণ হারান মতিউল ইসলাম। ঘটনার পরপরই অভিযুক্ত আল-আমিন ইসলাম পালিয়ে যান।
তবে পুলিশ আল আমিন এর বাবা একরামুল হক, মা সাহেরা বানু ও ছোট ভাই আপন ইসলাম (১৬) কে আটক করেছে। সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিল্লুর রহমান জানান, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত ও অভিযুক্ত আল আমিনকে গ্রেপ্তারের অভিযান চলছে।
মন্তব্য করুন