
ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈল উপজেলায় পুকুর সংস্কারের নামে চলছে মাটি বিক্রির মহোৎসব। প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা, রাতে-দিনে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা, জেল-জরিমানা, মাটি পরিবহনের ট্রাক্টর জব্দসহ নানামুখী পদক্ষেপেও থামছেনা মাটি খেকোদের দৌরাত্ম্য।
উপজেলার বিভিন্ন নদীরপাড়, খাল, পুকুরসহ ফসলি জমির উর্বর মাটি লুট করা। এতেই ক্ষান্ত নন, গভীর করে মাটি ওঠানোর পর তারা নীচ থেকে বালুও উত্তোলন করে প্রচুর ব্যবসা করছেন ।
এর কারনে গ্রামীণ সড়কগুলোও নষ্ট হচ্ছে। রাস্তা চলাচলে ধুলো-বালিতে আশেপাশের পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে।
আমন ধান কাটামাড়াইয়ের পর থেকে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় কৌশলে শুরু হয়েছে পুকুর সংস্কার, ফসলি জমি উচু-নিচু সমান, ফসলি জমিতে পুকুর খনন, নদীর পাড় কাটা, খালের মাটিকাটাসহ মাটি বিক্রির মহোৎসব। এসব মাটি স্থানীয়দের কাছে বিক্রির করার পাশাপাশি বেশিরভাগ মাটি যাচ্ছে ইটভাটায়। এদিকে অবৈধ ভাবে মাটি কাটার বিষয়ে অভিযোগ পেলেই ব্যবস্থা নিচ্ছেন না উপজেলা প্রশাসন।
সেজন্যে প্রকাশ্যে কিংবা গোপনে মাটি কাটার ব্যবসা চলছে। অবশ্য স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় এলাকায় বেশকিছু ব্যক্তি ভেকু ব্যবসার সঙ্গে জড়িত হয়েছেন। তাদের দৌরাত্ম্য কমাতে যেন কোনোমন্ত্রই খাটছেনা।
সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে- উপজেলার বলিদ্বারা উজধারি গ্রামে মানিক নামের এক অসাধু ব্যবসায়ী পুকুর সংস্কারের নামে মাটি ও বালু বিক্রী করছেন | উত্তরগাঁও বাজারের পশ্চিম পাশে আক্কাশ আলী নামের এক অসাধু ব্যবসায়ী মাটি বিক্রীর সাথে বালুও বিক্রী করছেন | সাদঘরিয়া এলাকার অসাধু ব্যবসায়ী মাহাবুব তিন ফসলি জমির মাটি কেটে রফিক ভাটায় বিক্রী করছেন।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে মুঠোফোনে কল করা হলে- ফোন নাম্বারটি বিজি দেখায়।
মন্তব্য করুন