জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার ২নং পোগলদিঘা ইউনিয়ন পরিষদের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সমাজসেবক ও পোগলদিঘা ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি মোঃ পলাশ মিয়া ফারুক ইউনিয়নবাসীর উদ্দেশে উন্নয়ন ও জনসেবামূলক নানা অঙ্গীকার তুলে ধরেছেন।
তিনি বলেন, পোগলদিঘা ইউনিয়ন সম্ভাবনাময় হলেও দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও স্বজনপ্রীতির কারণে অনেক সাধারণ মানুষ ন্যায্য সেবা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। এই অবস্থার পরিবর্তন ঘটিয়ে একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও জনবান্ধব ইউনিয়ন গড়ে তোলাই তার লক্ষ্য।
চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী পলাশ মিয়া ফারুক বলেন, “আমার কাছে দল বা ব্যক্তিগত স্বার্থ নয়—মানুষের অধিকারই সবচেয়ে বড় বিষয়। ইউনিয়নের প্রতিটি নাগরিক যেন সমান মর্যাদা নিয়ে পরিষদের সেবা পান, সেটি নিশ্চিত করতে আমি কাজ করতে চাই।
তিনি স্পষ্টভাবে জানান, ইউনিয়নে আর কোনো ধরনের দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি বা অযথা হয়রানি সহ্য করা হবে না। রাজনৈতিক মতভেদ থাকলেও জনগণের সেবা কখনোই প্রতিহিংসার শিকার হতে পারে না বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
ইউনিয়নের উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরে পলাশ মিয়া ফারুক বলেন, তিনি নির্বাচিত হলে পরিষদের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করবেন এবং ধাপে ধাপে অনলাইন ও ডিজিটাল সেবা চালুর উদ্যোগ নেবেন, যাতে সাধারণ মানুষকে হয়রানির শিকার হতে না হয়।
তিনি আরও জানান, পোগলদিঘা ইউনিয়নের রাস্তাঘাট, ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও অন্যান্য অবকাঠামোর টেকসই উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। পাশাপাশি শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কৃষি খাতে আধুনিক সহায়তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চালু করা হবে।
চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী পলাশ মিয়া ফারুক বলেন, যুব সমাজকে দক্ষ ও কর্মমুখী করে তুলতে ইউনিয়নে একটি যুব কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া তরুণদের আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যোগাযোগ দক্ষতা বাড়াতে ইংলিশ স্পোকেন কোর্স চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে।
নারী ও প্রবীণদের কল্যাণের বিষয়েও তিনি গুরুত্বারোপ করে বলেন, তাদের জন্য সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি আরও জোরদার করা হবে, যাতে তারা মর্যাদার সঙ্গে জীবনযাপন করতে পারেন।
সবশেষে তিনি ইউনিয়নবাসীর উদ্দেশে বলেন, “আমি চাই পোগলদিঘা ইউনিয়ন হোক সম্প্রীতি, ন্যায় ও উন্নয়নের একটি মডেল ইউনিয়ন। এখানে দল নয়—মানুষই হবে সবচেয়ে বড় পরিচয়। আপনাদের সহযোগিতা ও সমর্থন পেলে আমরা সবাই মিলে একটি আধুনিক ও উন্নত ইউনিয়ন গড়ে তুলতে পারবো—ইনশাআল্লাহ।”
তিনি ইউনিয়নবাসীর কাছে মতামত, পরামর্শ ও সহযোগিতা কামনা করেন এবং সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি সুন্দর ও নিরাপদ পোগলদিঘা ইউনিয়ন গড়ে তোলার আহ্বান জানান।