ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে আদিবাসি গ্রামগুলোতে প্রথমবারের মতো ব্যত্তিক্রমী ভাই পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
২৪ জানুয়ারি (শনিবার) সকালে আদিবাসী গ্রামগুলোতে আদিবাসী মহিলারা তাদের ভাইয়ের সুখ মঙ্গল কামনা করার জন্য এই বছর উপোস থেকে পুজাটি করছে সবাই মিলে। আদিবাসী মহিলাদের কাছ থেকে জানা গেছে, তারা তাদের ভাই সুখ শান্তি মঙ্গল কামনা করার জন্য সব নারীরা একত্রে হয়ে একটি দল গঠনে করে গ্রামে গ্রামে সবার বাড়িতে গিয়ে চাল সংগ্রহ করেন। এই সংগ্রহ করা চাল দিয়ে পুজার সামগ্রী কিনে এনেছেন।
সরস্বতী পূজা করার আগেই অনেক জায়গায় ভাইপুজা সম্পন্ন করেছেন আদিবাসী মহিলারা। উপজেলার আদিবাসী মহিলারা সরস্বতী পূজা হওয়ার কারণে আজকে দিনটি ঠিক করেছে সবাই মিলে। তাই আজকে ভাই পুজা করছে তারা। ধর্মীয় পুরোহিত মন্ত্র পাঠ করার মধ্যে দিয়ে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে আজকে উৎসবটি পালন হচ্ছে।
এই পুজাতে আদিবাসী মহিলারা ভাই পুজা করার জন্য তাদের ভাইদের কাছ থেকে নতুন শাড়ি পেয়েছে পুজার জন্য। সেই শাড়িটি পড়ে আজকে তারা পূজা মণ্ডপে ভাইয়ের সুখ শান্তি কামনার জন্য সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করেন। এই বিষয়ে আদিবাসী নেতা শান্ত পাহানের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি মুঠোফোনে জানান, আমি এ বছর পুজাটির কথা শুনে খুব অবাক হয়ে গেছি যে ভাই পুজা করতে হবে । পরে আমি গ্রামের মোড়ল এবং মহিলাদের কাছ থেকে জানতে পারি যে আমাদের সারাদেশে নাকি এটা ভাই পুজা করছে মহিলারা | তাই আমি
পুজাটার জন্য আমার বোনদের নতুন শাড়ি কিনে দিয়েছি তারা যে আমার জন্য ভাই পুজাটা করে। আমি আপনাদের সাংবাদিকদের কাছে বলতে চাই আজকে যে আমাদের উপজেলার আদিবাসী গ্রামগুলোতে ভাই পুজা হচ্ছে সেটা আসলেই ভাইদের সুখ শান্তি মঙ্গল কামনা করার জন্য।