
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার ভিতরবন্দ ইউনিয়নে তিন সন্তানের জননী এক গৃহবধূকে গলাকেটে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের স্বামীর কোনো সন্ধান না পাওয়ায় ঘটনাটি নিয়ে রহস্য আরও ঘনীভূত হয়েছে।
স্থানীয়রা জানায়, রবিবার মধ্যরাতে ভিতরবন্দ ইউনিয়নের একটি গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।সোমবার সকালে ঘরের ভেতর থেকে ওই নারীর গলাকাটা মরদেহ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। মরদেহের গলায় ধারালো অস্ত্রের গভীর ক্ষতচিহ্ন পাওয়া গেছে। প্রতিবেশী ও স্বজনদের ভাষ্য অনুযায়ী, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কোনো দৃশ্যমান বিরোধ ছিল না। তারা একসঙ্গে মাছের ব্যবসা চালাতেন এবং পারিবারিকভাবে ভালো সম্পর্ক বজায় রেখেছিলেন বলে দাবি স্থানীয়দের।
স্থানীয়দের একটি অংশের ধারণা, এই হত্যাকাণ্ডে অন্য কেউ জড়িত থাকতে পারে। তাদের মতে, নিহত নারীর স্বামী ঘটনার সঙ্গে জড়িত নাও থাকতে পারেন। এমনকি কেউ কেউ আশঙ্কা করছেন, ঘটনার সময় স্বামীকেও তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে অথবা তাকেও হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে এসব তথ্য এখনো নিশ্চিত নয়।
খবর পেয়ে নাগেশ্বরী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।
নাগেশ্বরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাংবাদিকদের বলেন, “লাশ ময়নাতদন্তের জন্য নিয়ে আসা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের শিকার মহিলার স্বামীকে ধরার চেষ্টা চলছে। তদন্তের আগে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না।”এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডে পুরো এলাকায় শোক, আতঙ্ক ও নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। দ্রুত ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
মন্তব্য করুন