ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফিল ঘোষণা দিনেও ঠিক যাবার সময় হয়ে যাচ্ছে এদিকে অপেক্ষা প্রহর গুনার দিন শেষ সাধারণ জনতার। বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন থেকে জানা গেছে, ২০২৬ সালে ফেব্রুয়ারিতে ভোট হবে সারা বাংলাদেশে ৪২ হাজার ৭৬১টি ভোট কেন্দ্রে। ইতিমধ্যে ভোটের তারিখ ঘোষণা হওয়ার জন্য সারা দেশের ন্যায় ঠাকুরগাঁও জেলায় বয়ে চলছে নির্বাচনীর হওয়া।
প্রার্থীরা চষে বেড়াচ্ছেন নিজ নির্বাচনী এলাকার মানুষদের কাছে এবং দিচ্ছেন এলাকার বিভিন্ন সমস্যা সমাধান এবং মানুষের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি।
সাধারণ জনতা এবং রাজনৈতিক গবেষকদের মতে ঠাকুরগাঁও- ৩ আসন পীরগঞ্জ রাণীশংকৈল আসনে ত্রিমুখী লড়াই হওয়ার আগাম আভাস পাওয়া যাচ্ছে এই আসনটিতে প্রার্থীদের মধ্যে। এই আসনে দলের মনোয়ন প্রত্যাশী সাংসদ সদস্য পদে নির্বাচন করবেন সাবেক সাংসদ সদস্য জাহিদুর রহমান জাহিদ ধানের শীষ প্রতীকে এবং জামায়াতে ইসলামী নেতা মিজানুর রহমান মাষ্টার অপরদিকে গণঅধিকার পরিষদ ছাত্র নেতা মামুনুর রশীদ মামুন। সাধারণ জনতা বলছেন নির্বাচনে এলাকায় বেশি দেখা যাচ্ছে গণ অধিকার পরিষদ মনোনয়ন প্রত্যাশী মামুন আর বিএনপি নেতা জাহিদুর রহমান জাহিদকে।
নির্বাচনী এলাকায় বিভিন্ন প্রোগাম সেমিনার আলোচনা সভা এবং সংখ্যালঘু ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহণ করতে দেখা গেছে। সাধারণ জনতা আরো বলেছেন ইসলামী জামায়াতের নেতা মিজানুর রহমানকেও নির্বাচনী মাঠে দেখা গেছে বলে জানিয়েছেন তারা। এখানে সাধারণ জনগণের একটা কথা প্রশ্ন ঘুর পাক খাচ্ছে যে কবে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও- ৩ আসনের এমপি সেটা নিয়ে। এই নিয়ে শুরু হয়ে গেছে প্রান্তিক জনগণ থেকে সিমান্তবর্তী জনগণের মধ্যে। হাট- বাজার চায়ের দোকানে চলছে এক গ্লাস দুধ - লাল চা কাপ হাতে নিয়ে মানুষের ভোট নিয়ে আলোচনা। অনেকেই বলছেন, "হামার মামুনতো ছাত্র নেতা হামার এলাকাত অনেক কাজ করিয়ে ' আবার কেউ বলছেন জামায়াত নেতা মিজানুর রহমান মাষ্টার কথা....মিজান মাষ্টার তো "এমপি হলে হামার তো ভালোই হবে এলাকাত উন্নয়ন হবে হামাতো সেটাই চাহাছি' এবং সাবেক সাংসদ সদস্য জাহিদুর রহমান জাহিদকে নিয়ে বলেছেন জাহিদ "এমপিতো হামার এলাকাত কেতলা উন্নয়ন করিয়ে হামার ভাঙ্গা রাস্তা স্কুল লা ঠিক করে দিইয়ে' এইভাবে করে নেতাদের সেবামূলক কাজের প্রসংশা করার কথা বলেছেন সাধারণ জনতা।
সমাজের শিক্ষিত তারুণ্যরা বলছেন যারা আমাদের কথা ভাবেন না এবং আমাদের এলাকায় কাজ করবেন এবং আমাদের আপদে- বিপদে আমরা যেই মানুষটাকে সবসময় পাশে পাবো এমন যোগ্য প্রার্থীকে আমরা আমাদের মূল্যবান ভোট দিয়ে বিজয়ী করবো। যদিও তারা মুখে কথাটা বলতে পারতেছে না তারপরও ৫ আগষ্ট যখন ক্ষমতাচ্যুত হয়ে পালিয়ে যায় ভাতরতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এইদিনের পর থেকে সংখ্যালঘু ভোটেদের মধ্যে সংশয় রয়ে গেছে।
৫ সেপ্টেম্বর ঠাকুরগাঁও জেলায় যখন পাসপোর্ট অফিসে পাসপোর্ট করতে উপচে পড়ার ভিড় এই খবরটা যখন দেশের বিভিন্ন প্রিন্ট ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় প্রকাশিত হয়েছিলো সেখানে খবরের পাতায় বড় বড় অক্ষরে লেখা হয়েছিলো ঠাকুরগাঁও আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে প্রায় ৯০ শতাংশ সংখ্যালঘুদের মানুষের পাসপোর্ট করতে ভিড় এমনটা কথা প্রকাশ করা হয়েছিলো। তাই বলা যেতেই পারে নির্বাচনী এলাকায় সংখ্যালঘু ভোটের মধ্যে থেকে এখনো সংশয় কাটেনি। ধারণা করা হচ্ছে নির্বাচিত দেশের সরকার গঠন হলে এই দেশের সংখ্যালঘু ভোটারদের সংশয় কাটে যাবে সেটা।